রেজিঃ নং চ-৫৫১
নাটোরের লালপুরে ফ্যামিলি কার্ড শুমারির তথ্য সংগ্রহকারী পদে নিয়োগের চূড়ান্ত তালিকায় এমন এক প্রার্থীর নাম এসেছে, যাঁর মৌখিক পরীক্ষা (ভাইভা) নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। বয়সসীমা অতিক্রম করায় তাঁকে ভাইভা থেকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছিল বলে জানিয়েছেন ওই প্রার্থী। সম্প্রতি প্রকাশিত চূড়ান্ত ফলাফলে তাঁর নাম থাকায় নিয়োগপ্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
চূড়ান্ত তালিকায় থাকা ওই প্রার্থীর নাম সোনিয়া খাতুন। তাঁর রোল নম্বর ৪৬৭। তিনি আড়বাব ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম জেনেটের স্ত্রী।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, তথ্য সংগ্রহকারী পদে আবেদনের সর্বোচ্চ বয়সসীমা ছিল ৪০ বছর। তবে সোনিয়া খাতুনের জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী, তাঁর জন্ম ১৯৮৪ সালে। সে হিসাবে তাঁর বয়স ৪২ বছর। বয়সসীমা অতিক্রম করায় ভাইভা দিতে গিয়েও তাঁকে পরীক্ষায় অংশ নিতে দেওয়া হয়নি বলে দাবি করেছেন তিনি।
সোনিয়া খাতুন বলেন, “আমার বয়স বেশি হওয়ায় ভাইভার দিন আমার মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া হয়নি। পরীক্ষক জানান, বয়স ৪০ বছরের বেশি হওয়ায় ভাইভা নেওয়া সম্ভব নয়। এ কারণে আমাকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। তবে চূড়ান্ত ফলাফলে আমার নাম এসেছে।”
এ বিষয়ে জানতে চাইলে লালপুর উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা বলেন, “বিষয়টি আমার জানা নেই। এ বিষয়ে কর্তৃপক্ষ জানে। বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে জানাব।”
তবে বয়সসীমা অতিক্রম করা এবং মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারার পরও কীভাবে সোনিয়া খাতুনের নাম চূড়ান্ত তালিকায় এসেছে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা জানা যাবে।